তোরাব মজুমদারের দুঃখ একটাই, পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য সে রক্ষা করতে পারেনি। তার পিতামহর পিতামহ ঘোড়া চড়ত এবং তাদের আরো অনেক বিত্তবৈভব ছিল; এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই, কিছু জমি আর ভিটামাটি ছাড়া। কারো মধ্যে এ নিয়ে কোনো আফসোস নেই। তার আছে। অনেক দিন ধরে এই সিদ্ধান্ত সে বয়ে বেড়াচ্ছে যে একটা ঘোড়া, যেভাবেই হোক, কিনতে হবে।