মাঝিঘাটা থেকে মেঘনাকে খুবসুরৎ দেখায়। আসমানে ছেঁড়া ছেঁড়া নীলচে রঙের মেঘ, নীচে উদ্দাম মেঘনা, রাশি রাশি ঢেউ আর হু-হুঁ বাতাস। মাঝিঘাটার ওপাশে লঞ্চঘাটা। চিলগুলো পাক খেয়ে খেয়ে জলের ওপর ছোঁ দিয়ে পড়ছে। ভোঁ দিয়ে একটা লঞ্চ ছেড়ে দিল। বড় বড় কয়েকটা ঢেউ এসে মাঝিঘাটাকে দুলিয়ে গেল। এক-মাল্লাই নৌকোর গলুইতে বসে ছিল রসুল মাঝি। শেষবেলার রোদ,