নির্জন বনভূমি নেই। নেই শশ্মানের নীরবতা। এমনকি খরস্রোতা নদীর কলধ্বনি আর শোনা যায় না। ইতিহাস ধরে রেখেছে কিছু স্মৃতিচিহ্ন। সেই স্মৃতিকে ধরে আজও মানুষ এগিয়ে চলেছে। কারণ একটাই সতীপীঠের মাহাত্ম্য। সকাল – সন্ধ্যায় সেখানে জ্বলে প্রদীপ। প্রদীপের আলোয় আরাধনা দেবীকে। পাশেই শশ্মানে এখন বৈদ্যুতিক চুল্লিতে চব্বিশ ঘণ্টা দেহ সৎকার। আর তার ঠিক পাশেই সুফী পীর