প্রত্যেকেই নিজের নিজের এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো মালদা শহরের বিভিন্ন আইসিডিএস সেন্টারের শিশুদের অভিভাবকদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিচ্ছেন ইংরেজবাজার পুরসভার পৌরপিতা প্রসেনজিৎ
এদিন ধনিয়াখালি পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এবং দমকল বিভাগের সহযোগিতায় স্যনিটাইজ করা হয় পুরো হাসপাতাল। মূলত কোরোনা সংক্রমণ এড়াতে এবং অন্যান্য জীবাণু থেকে হাসপাতালকে মুক্ত করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। শুধু কোরোনা সংক্রমণ এড়াতে নয় অন্যান্য জীবাণু মুক্ত রাখতে কয়েক দিন ছাড়া ছাড়াই স্যনিটাইজ করা হবে হাসপাতাল এমনই জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ছবি ও
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহণ, সেচ, জলসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোরনা মোকাবিলার পাঠানো ত্রাণ সামগ্রী গোপীবল্লভপুর-২নং ব্লকের ব্লক সভাপতি টিঙ্কু পাল-এর তত্ত্বাবধানে প্রবীর দন্ডপাতের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর-২নং ব্লকের বেলিয়াবেড়া-৫নং অঞ্চলের ২০০টি দুঃস্থ পরিবারকে বিতরণ করা হলো এবং সাথে মাক্স দেওয়া
আজ হরিপালের বিধায়ক বেচারাম মান্না নালীকুল এলাকায় ২টি পঞ্চায়েতর সাধারণ দুঃস্থ পরিবারের হাতে চাল ও ডাল তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ৩টি দুঃস্থ ক্যান্সার ও ডাইলোসিস আক্রান্ত পরিবারের হাতে নগদ ৫ হাজার টাকা তুলে দিলেন। ছবি ও সংবাদ : সুভাষ
২০ এপ্রিল থেকে বেশ কয়েকটি পরিষেবা লকডাউনের আওয়তার বাইরে রেখেছে কেন্দ্র। তার মধ্যে গ্রামীণ অর্থনীতি পরিকাঠামো গতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ১০০ দিনের কাজকে লকডাউনের বাইরে রাখা হয়েছে। তবে লকডাউন মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই করতে হবে কাজ। অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ১০০ দিনের কাজ চালু করলো তারকেশ্বরের আস্তারা দত্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েত।
বাংলার সুদক্ষ নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় বিধায়ক সমীর পাঁজার উদ্যোগে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় লকডাউন পরিস্থিতিতে সুরক্ষারেখা মেনে খাদ্য সংকটের মধ্যে থাকা মানুষদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলো উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের আর.ডি.এ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস পরিবার। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করার সময় বিধায়ক প্রতিটি মানুষের কাছে বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সকলের কাছে বিনয়ের সাথে অবগত করেন সতর্ক থাকতে,
উনি একটা রাজ্যের প্রশাসনিক মাথা। চাইলেই সবচেয়ে সুরক্ষিত, দামী মাস্ক পড়ে বাড়িতে অথবা অফিসেই থাকতে পারতেন। মাঝে মাঝে প্রেস কনফারেন্স করে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতেই পারতেন। কিন্তু না…উনি যেমন নিজে লড়াইয়ের ময়দানে থাকেন, তেমনি ছোটো-বড়ো সব কর্মীরা ওঁর পাশে থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালিয়ে যান। আজ সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল