এরপর রাজা বিশ্বসিংহ লোকজন নিয়ে উপস্থিত হলেন নীলাচলে। জঙ্গল পরিষ্কার করে পীঠস্তূপের খননের ব্যবস্থা করলেন। ধীরে ধীরে কামদেবের প্রস্তরনির্মিত ধ্বংসাবিশিষ্ট মন্দিরের নিম্নভাগ এবং যোনি মুদ্রাসহ মূল পীঠ আবিষ্কার হলো। মহারাজের আনন্দের সীমা নেই তিনি মন্দির নির্মান কাজ শুরু করলেন। প্রতিজ্ঞা অনুসারে সোনার মন্দির তৈরির পরিবর্তে ইঁটের তৈরি মন্দির নির্মানের কাজ শুরু করলেন। একদিন রাতে রাজা